Friday 18 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ভাতার টাকা মেম্বারের শ্বশুরের মোবাইলে, মাইকিং করে প্রতিবাদ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপনডেন্ট
১১ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:৩৮ | আপডেট: ১১ নভেম্বর ২০২৫ ১৭:৫৪

ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন। ছবি: সারাবাংলা

কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বিধবা ভাতার টাকা আত্মসাৎ এবং মাতৃত্বকালীন ও সরকারি ঘর দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা মাইকিং করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য আমজাদ হোসেনের শ্বশুরের মোবাইল নম্বরে দুই বছর ধরে ভাতাভোগীদের টাকা যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা দাবি করেন, আমজাদ মেম্বার মাতৃত্বকালীন কার্ড ও সরকারি ঘর দেওয়ার নামেও টাকা নিয়েছেন, কিন্তু কোনো সুবিধা দেননি।

বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী সুলতান আলী বলেন, ‘দেড় বছরে একবার ভাতার টাকা পেয়েছি। পরে জানতে পারি, আমার নামে থাকা টাকা মেম্বারের শ্বশুরের মোবাইলে যাচ্ছে।’ একইভাবে আরও অনেকে অভিযোগ করেন যে, ভাতা ও সরকারি সুবিধা দিতে অর্থ নেওয়ার পরও মেম্বার প্রতিশ্রুতি রাখেননি।

অভিযোগের বিষয়ে আমজাদ হোসেন স্বীকার করে বলেন, ‘আমি ভাতাভোগীর টাকা নয়-ছয় করেছি, এটা আমার ভুল হয়েছে।’

আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাকি বলেন, ‘গরিবের ভাতার টাকা আত্মসাৎ গুরুতর অপরাধ। দোষী প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দৌলতপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, ‘বিষয়টি তদন্ত করা হবে। প্রকৃত ভাতাভোগীরা যেন প্রাপ্য টাকা পান, তা নিশ্চিত করা হবে।’

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, ‘অভিযোগের তদন্ত চলছে। দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সারাবাংলা/জিজি
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো