Saturday 24 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলা: হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে আগামী সোমবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৫ আগস্ট ২০২৬ ১১:৪১ | আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩৪

হাইকোর্ট। ফাইল ছবি।

ঢাকা: মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছর বয়সি শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে সোমবার (৩১ আগস্ট) নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে. এম. রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

এদিন মামলার রায় ঘোষণার কথা থাকলেও আদালতের কার্যক্রমের শুরুতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক জানান, এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করেছেন। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করায় রায় ঘোষণার আগে কিছু সময় প্রয়োজন। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আগামী সোমবার রায়ের দিন ধার্য করেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, গত সোমবার (২৪ আগস্ট) হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে ২৫ আগস্ট রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।

আদালতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক উপস্থিত ছিলেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ মার্চ রমজানের ছুটিতে মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছর বয়সি আছিয়া। অভিযোগ রয়েছে, বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন। পরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয় এবং ২৭ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মাত্র ১৩ কার্যদিবসে বিচারকাজ শেষ হওয়ার পর ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম. জাহিদ হাসান প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। একই রায়ে নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, তার ছোটো ভাই এবং সজীবের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার নথি গত বছরের ২১ মে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পেপারবুক প্রস্তুত করে ৮ জুন হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয় এবং মামলাটি শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চে তালিকাভুক্ত করা হয়।

 

বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো

সম্পর্কিত খবর