Monday 07 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

যুদ্ধবিরতি নয়, সংঘাতের ‘আসল সমাপ্তি’ চান ট্রাম্প


১৭ জুন ২০২৫ ১৬:৫৮
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

কোলাজ ছবি: সারাবাংলা

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চান কিনা জানতে চাইলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি একটি বাস্তবিক সমাপ্তি চান, যুদ্ধবিরতি নয়। তিনি আরও বলেন, সম্পূর্ণ হাল ছেড়ে দেওয়াও ঠিক আছে।

এই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থের ওপর সম্ভাব্য ইরানি হামলার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তারা যদি আমাদের জনগণের ওপর কিছু করে তবে আমরা কঠোরভাবে প্রতিহত করব।’

এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে ট্রাম্প এ কথা বলেন।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের ‘সত্যিকারের অবসান’ চান বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তিনি সংঘাতের ‘সত্যিকারের অবসান’ চান—যা অস্ত্রবিরতির চেয়েও কার্যকর। তবে তিনি এটিও স্বীকার করেছেন যে আলোচনার প্রচেষ্টা পুরোপুরি পরিত্যাগ করাও একটি বিকল্প হতে পারে।

এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘একটা শেষ। সত্যিকারের শেষ। কোনো যুদ্ধবিরতি নয়। একদম শেষ করে দেওয়া। কিংবা পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া—তাও ঠিক।’ তিনি জানান, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বোঝা যাবে ইসরায়েল হামলার গতি কমাবে নাকি বাড়াবে। ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা দেখতে পাবেন। এখন পর্যন্ত কেউ থামেনি।’

মঙ্গলবার ট্রাম্প ‘সিচুয়েশন রুমে’ জাতীয় নিরাপত্তা টিমের সঙ্গে বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিকভাবে সংঘাতে জড়ায়, তাহলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস নিশ্চিত হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন,‘আমি আশা করি তার আগেই তাদের কর্মসূচি ধ্বংস হয়ে যাবে। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অধিকারী হতে দেওয়া হবে না।’

তেহরান থেকে লোকজন সরানোর আহ্বান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট হুমকির কারণে নয়, বরং পরিস্থিতি বিবেচনায় মানুষের নিরাপত্তার জন্যই। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু চাই মানুষ নিরাপদে থাকুক… যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। তাই নিরাপদ থাকাই ভালো।’

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনা বা সম্পদ নিয়ে উদ্বেগ আছে কি না—এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, যদি ইরান তাদের স্পর্শ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র এত জোরে পাল্টা জবাব দেবে যে… আমি মনে করি ওরা জানে, আমাদের সেনাদের স্পর্শ করা যাবে না।”

এ সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও স্টিভ উইটকফকে ইরানের সঙ্গে বৈঠকে পাঠানোর খবর সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘হতে পারে। হতে পারে। আমি দেশে ফিরে কী অবস্থা পাই, তার ওপর নির্ভর করছে।’